·
❤
❤
❤
❤
❤
❤
চড়ুই পাখিটির আজ মনটা বড়ই বিষন্ন। জন্মের পর মা খুব শখ করে ওর নাম রেখেছিলো "তু"। কিন্তু তু এর জীবনের শখগুলো আজ বড্ড মলিন। বাসার সবাই দল বেঁধে কাজের সন্ধানে বের হয়ে পরেছে। কিন্তু তু আজ বের হয় নি। সে ঘরে বসে ঝিমাচ্ছে আর পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করছে।
তু ছোট থেকেই খুব রূপবতী। পাড়ার অল্প বয়স্ক যুবক চড়ুইরা তু এর দিকে একটু অন্য রকম দৃষ্টি দিতো তু এর দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য। কিন্তু তু এর মনে কখোনই কেউ সেইভাবে দাগ কাটতে পারে নি। হঠাৎ তু এর পাড়ায় এক টিয়ে পরিবারের আগমন ঘটলো। তারা ঐ পাড়ায় বসবাস শুরু করলো। ঐ টিয়ে পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ ছেলে, নাম তার চিটা। চিটার সাথে খুব অল্প দিনের মধ্যেই তু এর খুবই ভালো বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরী হয়ে গেলো। এখন তু আর চিটা একসাথে ঘোরে, একসাথে খেলে, একে অপরকে তারা সব কিছু শেয়ার করে। ইতিমধ্যে চিটা পাশের পাড়ার এক টিয়া পরিবারের মেয়ে ইটির সাথে গভীর প্রনয়ে জড়িয়ে পরে, তু এর অজান্তে। চিটা আর ইটির গোপন প্রনয় অভিসার এক পর্যায়ে তু জানতে পারে। তখন তু এর মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে। তু আস্তে আস্তে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরে।যা সে কাউকে বোঝাতে পারে না।
❤
❤
❤
❤
❤
❤
চিটা তু কে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে এবং মিথ্যে আশ্বাস দেয়। মিথ্যে স্বপ্ন দেখায়। চিটার এই চিটারি যখন তু বুঝতে পারলো তখন তু তার সব কিছু হারিয়ে ফেলে। তু বড় একা হয়ে যায়। তু এখন জোর করে ভালো থাকার বৃথা চেষ্টা করে। জোর করে ঠোঁটের কোনে হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করে। সে একরাশ কষ্ট তার বুকের মধ্যে চেপে রাখে। এভাবেই তু এর দূর্বিসহ দিনগুলো কাটছিল।






চড়ুই পাখিটির আজ মনটা বড়ই বিষন্ন। জন্মের পর মা খুব শখ করে ওর নাম রেখেছিলো "তু"। কিন্তু তু এর জীবনের শখগুলো আজ বড্ড মলিন। বাসার সবাই দল বেঁধে কাজের সন্ধানে বের হয়ে পরেছে। কিন্তু তু আজ বের হয় নি। সে ঘরে বসে ঝিমাচ্ছে আর পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করছে।
তু ছোট থেকেই খুব রূপবতী। পাড়ার অল্প বয়স্ক যুবক চড়ুইরা তু এর দিকে একটু অন্য রকম দৃষ্টি দিতো তু এর দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য। কিন্তু তু এর মনে কখোনই কেউ সেইভাবে দাগ কাটতে পারে নি। হঠাৎ তু এর পাড়ায় এক টিয়ে পরিবারের আগমন ঘটলো। তারা ঐ পাড়ায় বসবাস শুরু করলো। ঐ টিয়ে পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ ছেলে, নাম তার চিটা। চিটার সাথে খুব অল্প দিনের মধ্যেই তু এর খুবই ভালো বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরী হয়ে গেলো। এখন তু আর চিটা একসাথে ঘোরে, একসাথে খেলে, একে অপরকে তারা সব কিছু শেয়ার করে। ইতিমধ্যে চিটা পাশের পাড়ার এক টিয়া পরিবারের মেয়ে ইটির সাথে গভীর প্রনয়ে জড়িয়ে পরে, তু এর অজান্তে। চিটা আর ইটির গোপন প্রনয় অভিসার এক পর্যায়ে তু জানতে পারে। তখন তু এর মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে। তু আস্তে আস্তে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরে।যা সে কাউকে বোঝাতে পারে না।






চিটা তু কে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে এবং মিথ্যে আশ্বাস দেয়। মিথ্যে স্বপ্ন দেখায়। চিটার এই চিটারি যখন তু বুঝতে পারলো তখন তু তার সব কিছু হারিয়ে ফেলে। তু বড় একা হয়ে যায়। তু এখন জোর করে ভালো থাকার বৃথা চেষ্টা করে। জোর করে ঠোঁটের কোনে হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করে। সে একরাশ কষ্ট তার বুকের মধ্যে চেপে রাখে। এভাবেই তু এর দূর্বিসহ দিনগুলো কাটছিল।
তু এর মানসিক অবস্থার অবনতি দেখে তু এর পরিবার সিদ্ধান্ত নেয়
নতুন কোন একটা জায়গায় বসবাস করার। তাই তু এর পরিবার তু কে নিয়ে নতুন একটা
পাড়ায় বসবাস শুরু করলো। ঐ পাড়ার পুরাতন এক চড়ুই পরিবারের বড় ছেলে
রিয়েল। তু এর সাথে প্রতিদিন রিয়েল এর অল্প-স্বল্প কথা হতো। কিছুদিনের
মধ্যেই ওদের ভিতর একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হলো। এখন ওরা প্রায়ই এক সাথে
ঘুরতে বেড়োই। রিয়েল খুব খুশি তু কে পেয়ে। তু ও মনের অজান্তে রিয়েলকে পছন্দ
করে ফেলে। কিন্তু তু এর ভয় হয়, রিয়েল যদি চিটার মতো একসময় ফেক হয়ে সামনে
আসে। তখন তু কি সেই কষ্টের ধাক্কাটা সামলে উঠতে পারবে? খুব ভয় হয় তু এর। তু
বুঝতে পারে না তার কি করা উচিৎ। চিটার স্মৃতি গুলো তু এর মনে ঝর তোলে। তু
আনমনা হয়ে যায়। রিয়েল বুঝতে পারে তু এর মনে ঝড় চলছে। তু সব কখা বলতে চায়
রিয়েলকে। কিন্তু সবটা বলতে পারে না। রিয়েল বুঝে নেয় তু এর অব্যক্ত কথা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন